The 24th revolution means a new Bangladesh
Advertisement
ওদের টার্গেট নতুন বাংলাদেশ নিয়ে যে কথা বলবে সেই.....!!! বিপ্লবিরা তৈরী থেক, সময় বেশী নেই....✊✊
হাদীর ডান কানের উপর দিয়ে গুলি প্রবেশ করে অপর কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। এতে 'ব্রেইনস্টেম' ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবং বুলেটের শার্পনেল সেখানে আটকে আছে এখনও। ডাক্তার আমাকে যা বলেছেন তা হলো, ওটা ব্রেইনের "আনঅ্যাপ্রোচেবল এরিয়া"।
শার্পনেল বের করতে সেখানে পৌঁছানোর জন্য এমনসব টিস্যু কাটতে হবে, যাতে তাৎক্ষণিক মৃত্যু হবে। আর যদি সেটাকে রেখে দেয়া হয়, তাহলে ইনফ্লেমেশন থেকে মৃত্যু হবে। এবং ব্রেইনের যেসব ড্যামেজ অলরেডি হয়েছে, তাতে আর কখনোই 'জীবিত' মানুষ ফিরবে না, চোখ খোলা, কথা বলা, চিন্তা করা - কিছুই না।
আমরা সাধারণ ভাষায় এটাকে মৃত্যুই বলি। আর্টিফিশিয়াল যেসব সিস্টেম দিয়ে বর্তমানে শরীরকে টিকিয়ে রাখা হয়েছে, সেসব সিস্টেম সত্ত্বেও ব্রেইনস্টেম ইনফ্লেমেশন (প্রদাহ) এর কারণে ক্লিনিকাল ডেথ হবে।
আমি ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করলাম, বিদেশের কোথাও এটা ঠিক করতে পারবে না?
তিনি বললেন, না। এইরকম পেশেন্টকে জীবিত ফেরানোর কোনো ট্র্যাক রেকর্ড কোথাও নাই।
একাধিক ডক্টরের থেকে আমি এ বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে পারছি।
(সিঙ্গাপুরে যদি হাদী চোখ খোলে - তবে তা দুনিয়ার মেডিকেল ইতিহাসের অলৌকিক ঘটনা হবে)
আগেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছি, এখনও বলছি, গণক্ষোভ সামাল দিতেই মেডিকেল আলাপের ভিতরে জনগণকে বিজি করতে সরকার তাকে বিদেশ পাঠিয়েছে। নাহলে দেশের নিউরোসার্জনরাও বলে দিয়েছিলো, এই রোগীর বেঁচে ফেরা অসম্ভব। কেবল সাপোর্ট সিস্টেম দিয়ে 'ক্লিনিকালি জীবিত' রাখা যেতে পারে, সেটাও কিছুদিনের জন্য।
সিঙ্গাপুর থেকে মৃত ঘোষণা হলে তখন যেন জনগণের ক্ষোভটা পুরোটা সরকারের উপর না যায়, যেন মানুষ নিজেদের বুঝ দিতে পারে যে: সরকার তো চেষ্টা করেছে!
কিন্তু এবার ভারতের টার্গেটে বুড়োরা নয়, তরুণ, মেধাবী, সম্ভাবনাময় ছাত্ররাই মারা পড়বে। তাহলে দ্বিতীয় বিপ্লবের জন্য কিসের অপেক্ষা?
প্রত্যেকেই কি এই ভেবে বসে থাকবে যে, "হাদী হাই প্রোফাইল ছিলো, তাই তাকে মেরেছে, আমি নীরিহ, আমাকে মারবে না?"
ঠিক যেভাবে হাসিনার জুলুমের ১৫ বছরে মানুষ ভাবত, "শিবির মরেছে, আমি অরাজনৈতিক, আমাকে হাসিনা গুম খুন করবে না", until July happened.
আমরা কি আবারও জুলাই-পূর্ব বিভক্তিতে ফিরে গেছি?
এই সমাজে কিসাস প্রতিষ্ঠা না হলে অপরাধ প্রিভেন্ট হবে না।
জুলাইয়ের ১৪০০ হত্যাকাণ্ডের জন্য শাহবাগ মোড়ে পাবলিকলি ১৪০০-টা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করা পর্যন্ত হাদীরা মরতেই থাকবে।
ব্রিটিশ জুডিশিয়ারির মারপ্যাঁচ দিয়েই তো হাদীর খুনীরা বেরিয়ে এসেছে।
প্রথম বিপ্লব তো তথাকথিত 'নিয়মতান্ত্রিক সরকার ও নিয়মতান্ত্রিক আদালত' এর মধ্যে পর্যবসিত হয়েছে।
দ্বিতীয় বিপ্লব কি একটি বিপ্লবী সরকার ও বিপ্লবী আদালতে পরিণত হবে না?
আর কত দেরী?
© Nure Alam Masud
হাদীর ডান কানের উপর দিয়ে গুলি প্রবেশ করে অপর কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। এতে 'ব্রেইনস্টেম' ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবং বুলেটের শার্পনেল সেখানে আটকে আছে এখনও। ডাক্তার আমাকে যা বলেছেন তা হলো, ওটা ব্রেইনের "আনঅ্যাপ্রোচেবল এরিয়া"।
শার্পনেল বের করতে সেখানে পৌঁছানোর জন্য এমনসব টিস্যু কাটতে হবে, যাতে তাৎক্ষণিক মৃত্যু হবে। আর যদি সেটাকে রেখে দেয়া হয়, তাহলে ইনফ্লেমেশন থেকে মৃত্যু হবে। এবং ব্রেইনের যেসব ড্যামেজ অলরেডি হয়েছে, তাতে আর কখনোই 'জীবিত' মানুষ ফিরবে না, চোখ খোলা, কথা বলা, চিন্তা করা - কিছুই না।
আমরা সাধারণ ভাষায় এটাকে মৃত্যুই বলি। আর্টিফিশিয়াল যেসব সিস্টেম দিয়ে বর্তমানে শরীরকে টিকিয়ে রাখা হয়েছে, সেসব সিস্টেম সত্ত্বেও ব্রেইনস্টেম ইনফ্লেমেশন (প্রদাহ) এর কারণে ক্লিনিকাল ডেথ হবে।
আমি ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করলাম, বিদেশের কোথাও এটা ঠিক করতে পারবে না?
তিনি বললেন, না। এইরকম পেশেন্টকে জীবিত ফেরানোর কোনো ট্র্যাক রেকর্ড কোথাও নাই।
একাধিক ডক্টরের থেকে আমি এ বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে পারছি।
(সিঙ্গাপুরে যদি হাদী চোখ খোলে - তবে তা দুনিয়ার মেডিকেল ইতিহাসের অলৌকিক ঘটনা হবে)
আগেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছি, এখনও বলছি, গণক্ষোভ সামাল দিতেই মেডিকেল আলাপের ভিতরে জনগণকে বিজি করতে সরকার তাকে বিদেশ পাঠিয়েছে। নাহলে দেশের নিউরোসার্জনরাও বলে দিয়েছিলো, এই রোগীর বেঁচে ফেরা অসম্ভব। কেবল সাপোর্ট সিস্টেম দিয়ে 'ক্লিনিকালি জীবিত' রাখা যেতে পারে, সেটাও কিছুদিনের জন্য।
সিঙ্গাপুর থেকে মৃত ঘোষণা হলে তখন যেন জনগণের ক্ষোভটা পুরোটা সরকারের উপর না যায়, যেন মানুষ নিজেদের বুঝ দিতে পারে যে: সরকার তো চেষ্টা করেছে!
কিন্তু এবার ভারতের টার্গেটে বুড়োরা নয়, তরুণ, মেধাবী, সম্ভাবনাময় ছাত্ররাই মারা পড়বে। তাহলে দ্বিতীয় বিপ্লবের জন্য কিসের অপেক্ষা?
প্রত্যেকেই কি এই ভেবে বসে থাকবে যে, "হাদী হাই প্রোফাইল ছিলো, তাই তাকে মেরেছে, আমি নীরিহ, আমাকে মারবে না?"
ঠিক যেভাবে হাসিনার জুলুমের ১৫ বছরে মানুষ ভাবত, "শিবির মরেছে, আমি অরাজনৈতিক, আমাকে হাসিনা গুম খুন করবে না", until July happened.
আমরা কি আবারও জুলাই-পূর্ব বিভক্তিতে ফিরে গেছি?
এই সমাজে কিসাস প্রতিষ্ঠা না হলে অপরাধ প্রিভেন্ট হবে না।
জুলাইয়ের ১৪০০ হত্যাকাণ্ডের জন্য শাহবাগ মোড়ে পাবলিকলি ১৪০০-টা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করা পর্যন্ত হাদীরা মরতেই থাকবে।
ব্রিটিশ জুডিশিয়ারির মারপ্যাঁচ দিয়েই তো হাদীর খুনীরা বেরিয়ে এসেছে।
প্রথম বিপ্লব তো তথাকথিত 'নিয়মতান্ত্রিক সরকার ও নিয়মতান্ত্রিক আদালত' এর মধ্যে পর্যবসিত হয়েছে।
দ্বিতীয় বিপ্লব কি একটি বিপ্লবী সরকার ও বিপ্লবী আদালতে পরিণত হবে না?
আর কত দেরী?
© Nure Alam Masud
Advertisement
Where is it happening?
Uttara, Dhaka-1230, 1230 Dhaka, Bangladesh, Dhaka, Bangladesh
Event Location & Nearby Stays:
Know what’s Happening Next — before everyone else does.
Host or PublisherBorhan Mahmud









